রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাউরুটি তৈরির একটি ফ্যাক্টরির (বেকারি) সন্ধান পাওয়া গেছে।
শনিবার (৩০ মে) স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন হাসপাতালটি পরিদর্শনে গেলে এ বিষয়টি সামনে আসে।
পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের ভেতরে পাউরুটি উৎপাদনের কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে।
ঘটনাস্থলের দৃশ্য দেশের কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেলে সরাসরি (লাইভ) সম্প্রচার করা হয়, যা জনমনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।
আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ফাউন্ডেশনের মানবসম্পদ ও কোম্পানি বিষয়ক পরিচালক তারিকুল ইসলাম মুকুল বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতাল পরিদর্শনে এসেছিলেন।
তিনি বলেন, হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের অষ্টম তলায় রোগীদের জন্য পাউরুটি ও বিভিন্ন বেকারি আইটেম তৈরি করা হয়। তবে এটি হাসপাতালের মূল ভবনের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত নয় বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, হাসপাতাল ক্যাম্পাসে পাশাপাশি সংযুক্ত ছয় থেকে সাতটি ভবন রয়েছে, যার মধ্যে হাসপাতাল ভবন, কলেজ ভবন এবং করপোরেট অফিস ভবন অন্তর্ভুক্ত। এসব ভবনে আলাদা আলাদা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
তার ভাষায়, রোগীদের খাবার প্রস্তুত থেকে শুরু করে অন্যান্য সেবা কার্যক্রম বিভিন্ন অংশে বিভক্তভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তবে এগুলো পরস্পর কার্যগতভাবে এক নয়।
তারিকুল ইসলাম মুকুল বলেন, করপোরেট অফিসের একটি অংশের উপরের তলায় এ বেকারি কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
ভবনটির আয়তন কত— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এটি ‘ছোট একটি জায়গা’ এবং সঠিক পরিমাপ তার জানা নেই, ইঞ্জিনিয়ারই এ বিষয়ে বলতে পারবেন।
বিভিন্ন ভবনের ফ্লোরে কত স্কয়ার ফিট— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখানে দেড় হাজার থেকে চার হাজার স্কয়ার ফিট পর্যন্ত একেকটি ফ্লোর রয়েছে।
তিনি আরও জানান, যে বেকারি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে তা হাসপাতাল ভবনের পাশের প্রশাসনিক ভবনের অষ্টম তলার একপাশে অবস্থিত।
এই কর্মকর্তা আরও বলেন, যে স্থানে নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, সেখানে বেকারি নেই। এটি আলাদা ভবনে অবস্থিত।
Reporter Name 























