শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাড়বে সিগারেটের দাম, অবৈধ সিগারেটের তথ্যদাতাকে দেওয়া হবে পুরস্কার

এ বছর বাজেটে বাণিজ্যিক আমদানিকারকেরা যে সিগারেট পেপার আমদানি করেন তাতে সম্পূরক শুল্কের হার ৩০০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩৫০ শতাংশ করা হয়েছে। ফলে সিগারেটের দাম বেড়ে যেতে পারে।

প্রস্তাবিত বাজেটে নিম্নস্তরের সিগারেটের ১০ শলাকার প্যাকেটের ন্যূনতম মূল্য ৬২ টাকা, মধ্যমস্তরের ৯২ টাকা, উচ্চস্তরের ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চস্তরের সিগারেটের মূল্য ২১০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

একই সঙ্গে, নিকোটিন পাউচ (প্রতি ১০ গ্রাম ৫০০ টাকা), হিটেড টোব্যাকোর (প্রতি ১০ শলাকা ২১০ টাকা) ওপর সম্পূরক শুল্ক যথাক্রমে ৪০ ও ৬৭ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া, অবৈধ তামাক পণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ মনিটরিং করার জন্য ‘ট্র্যাক ও ট্রেস’ পদ্ধতি প্রণয়ন করা হবে এবং তামাক পণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ স্বয়ংক্রিয় ও কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য কারখানায় কাউন্টিং ডিভাইসসহ অত্যাধুনিক এআই ক্যামেরা স্থাপনের কথা বলা হচ্ছে।

আর, সিগারেট স্ট্যাম্পের মধ্যে কিউআর বা এআর কোড স্থাপন করা হবে। বাজার পর্যবেক্ষণের জন্য একটি বিশেষ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন প্রস্তুত করা হবে, যেটির মাধ্যমে ভোক্তারা অবৈধ সিগারেট সম্পর্কে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে তথ্য প্রদান করতে পারবেন। চোরাচালান কিংবা অবৈধ সিগারেটের তথ্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্য হুইসেলব্লোয়ার সিস্টেমও চালু করা হবে। সেইসাথে, সঠিক তথ্যদাতাকে পুরস্কারও দেওয়া হবে।

আরও বলা হয়েছে যে শুধু উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সিগারেট পেপার ও বিড়ি পেপার আমদানির বিধান এবং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ব্যতীত কোনো ট্রেডারের নিকট বিক্রয় না করার বিধান প্রণয়ন করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

MD Ayan

বাড়বে সিগারেটের দাম, অবৈধ সিগারেটের তথ্যদাতাকে দেওয়া হবে পুরস্কার

Update Time : ১০:০৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

এ বছর বাজেটে বাণিজ্যিক আমদানিকারকেরা যে সিগারেট পেপার আমদানি করেন তাতে সম্পূরক শুল্কের হার ৩০০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩৫০ শতাংশ করা হয়েছে। ফলে সিগারেটের দাম বেড়ে যেতে পারে।

প্রস্তাবিত বাজেটে নিম্নস্তরের সিগারেটের ১০ শলাকার প্যাকেটের ন্যূনতম মূল্য ৬২ টাকা, মধ্যমস্তরের ৯২ টাকা, উচ্চস্তরের ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চস্তরের সিগারেটের মূল্য ২১০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

একই সঙ্গে, নিকোটিন পাউচ (প্রতি ১০ গ্রাম ৫০০ টাকা), হিটেড টোব্যাকোর (প্রতি ১০ শলাকা ২১০ টাকা) ওপর সম্পূরক শুল্ক যথাক্রমে ৪০ ও ৬৭ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া, অবৈধ তামাক পণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ মনিটরিং করার জন্য ‘ট্র্যাক ও ট্রেস’ পদ্ধতি প্রণয়ন করা হবে এবং তামাক পণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ স্বয়ংক্রিয় ও কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য কারখানায় কাউন্টিং ডিভাইসসহ অত্যাধুনিক এআই ক্যামেরা স্থাপনের কথা বলা হচ্ছে।

আর, সিগারেট স্ট্যাম্পের মধ্যে কিউআর বা এআর কোড স্থাপন করা হবে। বাজার পর্যবেক্ষণের জন্য একটি বিশেষ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন প্রস্তুত করা হবে, যেটির মাধ্যমে ভোক্তারা অবৈধ সিগারেট সম্পর্কে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে তথ্য প্রদান করতে পারবেন। চোরাচালান কিংবা অবৈধ সিগারেটের তথ্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্য হুইসেলব্লোয়ার সিস্টেমও চালু করা হবে। সেইসাথে, সঠিক তথ্যদাতাকে পুরস্কারও দেওয়া হবে।

আরও বলা হয়েছে যে শুধু উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সিগারেট পেপার ও বিড়ি পেপার আমদানির বিধান এবং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ব্যতীত কোনো ট্রেডারের নিকট বিক্রয় না করার বিধান প্রণয়ন করা হবে।