বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগে অনিয়ম পেলে পরীক্ষা বাতিল হবে: শিক্ষামন্ত্রী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:১৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
  • ৩৭ Time View

প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম-জালিয়াতির প্রমাণ হলে তা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম বা ত্রুটির অভিযোগ তদন্তে এরই মধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা ও ত্রুটি প্রমাণিত হলে পুরো পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হবে।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে সম্প্রতি এক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগের জন্য নেওয়া পরীক্ষায় প্রায় ৫৩ হাজার প্রার্থী অংশ নিয়েছিলেন। এরমধ্যে প্রায় ১৫ হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। বর্তমানে এ পদে ১১ হাজার ১৫০টি শূন্য পদ রয়েছে এবং সেই পদগুলোতে নতুন পদ্ধতিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে পরীক্ষাটি নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে ত্রুটির অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি কাজ করছে। তদন্তে যদি কোনো ত্রুটি পাওয়া যায়, তাহলে পরীক্ষা বাতিল করে আবারও পরীক্ষা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে শিক্ষক নিয়োগে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হতো। সেই ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে। এখন লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিবন্ধিত শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকেই শিক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, নিবন্ধন সনদ অর্জন করলেই চাকরি নিশ্চিত হয় না। এটি কেবল একজন প্রার্থীর যোগ্যতার স্বীকৃতি। তিনি বলেন, ২০০১ সালে দায়িত্বকালেই শিক্ষক নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। বিদেশের বিভিন্ন দেশের মতো শিক্ষকতাকে একটি পেশাগত মানদণ্ডের আওতায় আনতেই এ ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। চিকিৎসক, হিসাবরক্ষক বা অন্যান্য পেশাজীবীদের যেমন লাইসেন্স পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্যতা অর্জন করতে হয়, শিক্ষকতার ক্ষেত্রেও একই ধরনের মান নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

MD Ayan

প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগে অনিয়ম পেলে পরীক্ষা বাতিল হবে: শিক্ষামন্ত্রী

Update Time : ০৩:১৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম-জালিয়াতির প্রমাণ হলে তা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম বা ত্রুটির অভিযোগ তদন্তে এরই মধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা ও ত্রুটি প্রমাণিত হলে পুরো পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হবে।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে সম্প্রতি এক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগের জন্য নেওয়া পরীক্ষায় প্রায় ৫৩ হাজার প্রার্থী অংশ নিয়েছিলেন। এরমধ্যে প্রায় ১৫ হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। বর্তমানে এ পদে ১১ হাজার ১৫০টি শূন্য পদ রয়েছে এবং সেই পদগুলোতে নতুন পদ্ধতিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে পরীক্ষাটি নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে ত্রুটির অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি কাজ করছে। তদন্তে যদি কোনো ত্রুটি পাওয়া যায়, তাহলে পরীক্ষা বাতিল করে আবারও পরীক্ষা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে শিক্ষক নিয়োগে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হতো। সেই ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে। এখন লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিবন্ধিত শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকেই শিক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, নিবন্ধন সনদ অর্জন করলেই চাকরি নিশ্চিত হয় না। এটি কেবল একজন প্রার্থীর যোগ্যতার স্বীকৃতি। তিনি বলেন, ২০০১ সালে দায়িত্বকালেই শিক্ষক নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। বিদেশের বিভিন্ন দেশের মতো শিক্ষকতাকে একটি পেশাগত মানদণ্ডের আওতায় আনতেই এ ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। চিকিৎসক, হিসাবরক্ষক বা অন্যান্য পেশাজীবীদের যেমন লাইসেন্স পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্যতা অর্জন করতে হয়, শিক্ষকতার ক্ষেত্রেও একই ধরনের মান নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল।