বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সবাইকে কাজ করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী

কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সবাইকে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা জরুরি। খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণসহ সকল পর্যায়ে নজর রাখতে হবে। খাদ্যের মধ্যে হেভি মেটাল (ভারী ধাতু) যাবে না, এটা আমরা চাই।

রোববার (১৭ মে) রাজধানীর খামারবাড়িস্থ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে সিজিআইএআর-এর পরামর্শক কমিটির ১০ম সভায় প্রধান অতথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের খাদ্য উৎপাদনের হাব হতে পারে। এদেশের আবহাওয়া ও মাটি খাদ্য উৎপাদনের জন্য ভালো। আমরা কৃষিকে রপ্তানিমুখী করতে পারি, সে সম্ভাবনা আমাদের আছে। কৃষিপণ্য রপ্তানিমুখী না হওয়া পর্যন্ত দেশের অর্থনীতি স্থির হবে না।

তিনি বলেন, সারের ব্যবহার কীভাবে কমানো যায়, সে বিষয়ে বিশদভাবে কাজ করতে হবে। সার পরিবেশ, জমি ও মানবস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। সারের অতিব্যবহার থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে।

আমিন উর রশিদ বলেন, কৃষি সেচ সম্পূর্ণভাবে সোলারের আওতায় আনা হচ্ছে। চলতি বছরে যতটুকু সম্ভব সোলারের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

বিএআরসি’র নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং সিজিআইএআর পরামর্শক কমিটির চেয়ারপার্সন ড. মো. আবদুছ ছালামের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ। অন্যান্যের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

MD Ayan

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সবাইকে কাজ করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী

Update Time : ১০:৪৯:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সবাইকে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা জরুরি। খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণসহ সকল পর্যায়ে নজর রাখতে হবে। খাদ্যের মধ্যে হেভি মেটাল (ভারী ধাতু) যাবে না, এটা আমরা চাই।

রোববার (১৭ মে) রাজধানীর খামারবাড়িস্থ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে সিজিআইএআর-এর পরামর্শক কমিটির ১০ম সভায় প্রধান অতথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের খাদ্য উৎপাদনের হাব হতে পারে। এদেশের আবহাওয়া ও মাটি খাদ্য উৎপাদনের জন্য ভালো। আমরা কৃষিকে রপ্তানিমুখী করতে পারি, সে সম্ভাবনা আমাদের আছে। কৃষিপণ্য রপ্তানিমুখী না হওয়া পর্যন্ত দেশের অর্থনীতি স্থির হবে না।

তিনি বলেন, সারের ব্যবহার কীভাবে কমানো যায়, সে বিষয়ে বিশদভাবে কাজ করতে হবে। সার পরিবেশ, জমি ও মানবস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। সারের অতিব্যবহার থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে।

আমিন উর রশিদ বলেন, কৃষি সেচ সম্পূর্ণভাবে সোলারের আওতায় আনা হচ্ছে। চলতি বছরে যতটুকু সম্ভব সোলারের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

বিএআরসি’র নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং সিজিআইএআর পরামর্শক কমিটির চেয়ারপার্সন ড. মো. আবদুছ ছালামের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ। অন্যান্যের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।