সম্প্রতি ফাঁস হওয়া একটি ভিডিও নিয়ে সমালোচনার মুখে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাতক্ষীরা–৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি ভিডিওতে থাকা তরুণীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে এই ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় তিনি নিজের ব্যক্তিগত গাড়িচালককে দায়ী করেছেন।
বিবৃতিতে দেওয়া তার বক্তব্য হুবহু তুলে ধরা হলো:
আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী এই মর্মে বর্ণনা করছি যে, গত ১৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে আমার প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মারিয়াম বেগম এবং মারিয়াম বেগমের মামা মো. ওবায়দুল্লাহকে নিয়ে আমার ব্যক্তিগত গাড়িযোগে মগবাজারস্থ মো. মাছুম বিল্লাহর ব্যবসায়ী অফিসে যাই। সেখানে আমরা আনুমানিক সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করি। জোহরের নামাজের আগে গাড়িচালক গাড়ি দেখার কথা বলে বাইরে যায়। বেশ কিছু সময় পর সে দ্রুত রুমে ফিরে এসে আমাদের সতর্ক থাকতে বলে আবার চলে যায়। কিছুক্ষণ পর সে পুনরায় ফিরে এসে দরজা খুলতে বললে আমার দ্বিতীয় স্ত্রী মারিয়াম দরজা খুলে দেন। সাথে সাথে ৫ থেকে ৭ জন অপরিচিত লোক রুমে ঢুকে আমাদের উপস্থিতির কারণ জানতে চেয়ে কৈফিয়ত দাবি করে। তারা আমাদের ব্যাগ ও পকেট তল্লাশি করে নিচে ৩-৪টি ঠিকাদারের দোকানে নিয়ে যায় এবং ১ লাখ টাকা দাবি করে। তাদের দাবি অনুযায়ী টাকা দেওয়ার পর তারা আমাদের সম্মানজনকভাবে সেখান থেকে যাওয়ার সুযোগ দেয়।
ইতোমধ্যে আমাদের গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহকে খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি। এরপর আমরা বাসায় চলে আসি। রাত আনুমানিক ১০টার দিকে গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ আমাকে ফোন করে জানায় যে, মগবাজারের চাঁদাবাজদের হাত থেকে গাড়ি ছাড়াতে হলে আমার কাছে ৫ লাখ এবং আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর ভাই মো. মাছুম বিল্লাহর কাছে ১০ লাখ টাকা দিতে হবে। তবে প্রকৃত ঘটনা হলো, এই সমস্ত চক্রান্তের মূল নায়ক ছিল আমাদের গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ।
অনলাইন ডেস্ক 


















