মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিরের আক্রমণে নিহত সেই শিশুর মা ফিরে পেল পরিবার

বাগেরহাট খানজাহান আলী মাজারের কুমিরের আক্রমণে নিহত হয় আট বছরের ফাতেমা। তার মা ফজিলা সাড়ে তিন বছর পরে ফিরে পেল তার পরিবার।

এদিকে ফাতেমা নিহতের খবর বিভিন্ন বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হলে সেটি দেখে তার পরিবারের পক্ষ থেকে ভাই, মা, সন্তানসহ ৬ জন ছুটে আসেন খান জাহান আলী মাজারে। সেখান থেকে মাজার কর্তৃপক্ষ তাদের বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠান। নির্বাহী অফিসার তার পরিচয় শনাক্ত করার জন্য সকল কাগজপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।

ফজিলার পরিবারের কাছ থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে কোনো এক ঝড়ের পরে ফজিলা তার ছোট কন্যা সন্তান ফাতেমাকে নিয়ে বাড়ি থেকে চলে যান। কোথায় যান তা কেউ জানতে পারেনি। অনেক খোঁজাখুঁজি করার পরেও তাদের কোনো হোদিস মেলাতে পারেনি।

ফজিলা ময়মনসিংহ জেলার খাচিয়ার চর গ্রামের বাসিন্দা।

উল্লেখ্য ফজিলার পারিবারিক জীবনে ২ ছেলে ও ৩ মেয়ে মোট ৫ সন্তানের জননী তিনি। এর মধ্যে ফাতেমা ছিল সবার ছোট।

ভারসাম্যহীন ফজিলার ছোট ভাই মোহাম্মদ জুয়েল মিয়া বলেন, গত তিন বছর পূর্বে আমার বোন হারিয়ে  গিয়েছিল। অনেক জায়গায় খুঁজেছি কিন্তু আমরা পাইনি। আজ আমার বোনকে পেয়েছি ভালো লাগছে কিন্তু ভাগনিটাকে পেলাম না তাই কষ্ট হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

MD Ayan

জনপ্রিয়

ব্রুকলিনের রকওয়ে অ্যাভিনিউয়ে ভ/য়াবহ গু/লির ঘটনা—অল্পের জন্য বেঁচে গেল বাংলাদেশির

কুমিরের আক্রমণে নিহত সেই শিশুর মা ফিরে পেল পরিবার

Update Time : ১০:১২:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

বাগেরহাট খানজাহান আলী মাজারের কুমিরের আক্রমণে নিহত হয় আট বছরের ফাতেমা। তার মা ফজিলা সাড়ে তিন বছর পরে ফিরে পেল তার পরিবার।

এদিকে ফাতেমা নিহতের খবর বিভিন্ন বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হলে সেটি দেখে তার পরিবারের পক্ষ থেকে ভাই, মা, সন্তানসহ ৬ জন ছুটে আসেন খান জাহান আলী মাজারে। সেখান থেকে মাজার কর্তৃপক্ষ তাদের বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠান। নির্বাহী অফিসার তার পরিচয় শনাক্ত করার জন্য সকল কাগজপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।

ফজিলার পরিবারের কাছ থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে কোনো এক ঝড়ের পরে ফজিলা তার ছোট কন্যা সন্তান ফাতেমাকে নিয়ে বাড়ি থেকে চলে যান। কোথায় যান তা কেউ জানতে পারেনি। অনেক খোঁজাখুঁজি করার পরেও তাদের কোনো হোদিস মেলাতে পারেনি।

ফজিলা ময়মনসিংহ জেলার খাচিয়ার চর গ্রামের বাসিন্দা।

উল্লেখ্য ফজিলার পারিবারিক জীবনে ২ ছেলে ও ৩ মেয়ে মোট ৫ সন্তানের জননী তিনি। এর মধ্যে ফাতেমা ছিল সবার ছোট।

ভারসাম্যহীন ফজিলার ছোট ভাই মোহাম্মদ জুয়েল মিয়া বলেন, গত তিন বছর পূর্বে আমার বোন হারিয়ে  গিয়েছিল। অনেক জায়গায় খুঁজেছি কিন্তু আমরা পাইনি। আজ আমার বোনকে পেয়েছি ভালো লাগছে কিন্তু ভাগনিটাকে পেলাম না তাই কষ্ট হচ্ছে।