বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে উজ্জীবিত ইংল্যান্ড

 

দীর্ঘ ৬০ বছরের বিশ্বকাপ শিরোপা খরা কাটানোর লক্ষ্য নিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে মাঠে নামবে ইংল্যান্ড। সেই স্বপ্নপূরণের পথে দলের সর্বত্রই শক্তি ও সামর্থ্য দেখছেন ইংলিশ তারকা সাকা।

একই সঙ্গে সাম্প্রতিক বড় টুর্নামেন্টগুলোর হতাশাকে তিনি নতুন প্রেরণা হিসেবে দেখতে চান। 

ফিফার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সাকা বলেন, ইংল্যান্ড দল বাইরের চাপের চেয়ে নিজেদের প্রত্যাশাকেই বেশি গুরুত্ব দেয়।

তিনি বলেন, ‘আমরা জানি মানুষের প্রত্যাশা আছে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমাদের নিজেদের কাছেও প্রত্যাশা আছে।
আমরা জানি টুর্নামেন্টে কী অর্জন করতে চাই এবং সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’ 

গত কয়েক বছরে বড় আসরগুলোতে ধারাবাহিকভাবে ভালো করেছে ইংল্যান্ড।

২০১৮ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল, ইউরো ২০২০-এর ফাইনাল, ২০২২ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল এবং ইউরো ২০২৪-এর ফাইনালে খেললেও শিরোপা জেতা হয়নি। তবে এসব ব্যর্থতা দলকে আরও ক্ষুধার্ত করে তুলেছে বলে মনে করেন সাকা। 

তিনি বলেন, ‘প্রতিটি টুর্নামেন্টেই আমরা বিশ্বাস করেছিলাম যে শিরোপা জিততে পারি এবং খুব কাছাকাছি পৌঁছেছিলাম। এখন আমরা সেগুলোকে অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছি। আমরা আবারও নিজেদের সেই অবস্থানে নিয়ে যেতে চাই।’

২৪ বছর বয়সী এই উইঙ্গার সদ্য ক্লাব ফুটবলে সফল একটি মৌসুম কাটিয়েছেন। তার ক্লাব আর্সেনাল এফসি দীর্ঘ ২২ বছর পর প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জিতেছে। জাতীয় দলের অনেক খেলোয়াড়ও নিজ নিজ ক্লাবের হয়ে মৌসুমজুড়ে সাফল্য পেয়েছেন, যা ইংল্যান্ড শিবিরে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।

সাকার মতে, বর্তমান ইংল্যান্ড দলে অভিজ্ঞতা, প্রতিভা ও তারুণ্যের দারুণ সমন্বয় রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি দলের সব জায়গাতেই শক্তি দেখি। জয়ের ক্ষুধা এবং আবেগও দেখি। আমাদের দলে প্রচুর প্রতিভা আছে, আবার জায়গার জন্য স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতাও আছে। একই সঙ্গে আমরা খুব ঐক্যবদ্ধ একটি দল।’

ইংল্যান্ডের নতুন কোচ টুখেলের ভূয়সী প্রশংসাও করেছেন সাকা। তার মতে, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই টুখেল দলের কাছে নিজের চাওয়া-পাওয়া ও পরিষ্কার করে দিয়েছেন।

সাকা বলেন, ‘তিনি একজন জয়ী কোচ। আমাদের দলও জিততে চায়। তিনি কী চান, সেটা খুব স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন এবং আমরা তার সঙ্গে ভালোভাবে মানিয়ে নিয়েছি।’

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের একমাত্র শিরোপা এসেছিল ১৯৬৬ সালে। সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তিই এখন সাকা ও তার সতীর্থদের বড় লক্ষ্য।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

MD Ayan

বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে উজ্জীবিত ইংল্যান্ড

Update Time : ০১:৩৭:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

 

দীর্ঘ ৬০ বছরের বিশ্বকাপ শিরোপা খরা কাটানোর লক্ষ্য নিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে মাঠে নামবে ইংল্যান্ড। সেই স্বপ্নপূরণের পথে দলের সর্বত্রই শক্তি ও সামর্থ্য দেখছেন ইংলিশ তারকা সাকা।

একই সঙ্গে সাম্প্রতিক বড় টুর্নামেন্টগুলোর হতাশাকে তিনি নতুন প্রেরণা হিসেবে দেখতে চান। 

ফিফার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সাকা বলেন, ইংল্যান্ড দল বাইরের চাপের চেয়ে নিজেদের প্রত্যাশাকেই বেশি গুরুত্ব দেয়।

তিনি বলেন, ‘আমরা জানি মানুষের প্রত্যাশা আছে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমাদের নিজেদের কাছেও প্রত্যাশা আছে।
আমরা জানি টুর্নামেন্টে কী অর্জন করতে চাই এবং সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’ 

গত কয়েক বছরে বড় আসরগুলোতে ধারাবাহিকভাবে ভালো করেছে ইংল্যান্ড।

২০১৮ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল, ইউরো ২০২০-এর ফাইনাল, ২০২২ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল এবং ইউরো ২০২৪-এর ফাইনালে খেললেও শিরোপা জেতা হয়নি। তবে এসব ব্যর্থতা দলকে আরও ক্ষুধার্ত করে তুলেছে বলে মনে করেন সাকা। 

তিনি বলেন, ‘প্রতিটি টুর্নামেন্টেই আমরা বিশ্বাস করেছিলাম যে শিরোপা জিততে পারি এবং খুব কাছাকাছি পৌঁছেছিলাম। এখন আমরা সেগুলোকে অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছি। আমরা আবারও নিজেদের সেই অবস্থানে নিয়ে যেতে চাই।’

২৪ বছর বয়সী এই উইঙ্গার সদ্য ক্লাব ফুটবলে সফল একটি মৌসুম কাটিয়েছেন। তার ক্লাব আর্সেনাল এফসি দীর্ঘ ২২ বছর পর প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জিতেছে। জাতীয় দলের অনেক খেলোয়াড়ও নিজ নিজ ক্লাবের হয়ে মৌসুমজুড়ে সাফল্য পেয়েছেন, যা ইংল্যান্ড শিবিরে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।

সাকার মতে, বর্তমান ইংল্যান্ড দলে অভিজ্ঞতা, প্রতিভা ও তারুণ্যের দারুণ সমন্বয় রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি দলের সব জায়গাতেই শক্তি দেখি। জয়ের ক্ষুধা এবং আবেগও দেখি। আমাদের দলে প্রচুর প্রতিভা আছে, আবার জায়গার জন্য স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতাও আছে। একই সঙ্গে আমরা খুব ঐক্যবদ্ধ একটি দল।’

ইংল্যান্ডের নতুন কোচ টুখেলের ভূয়সী প্রশংসাও করেছেন সাকা। তার মতে, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই টুখেল দলের কাছে নিজের চাওয়া-পাওয়া ও পরিষ্কার করে দিয়েছেন।

সাকা বলেন, ‘তিনি একজন জয়ী কোচ। আমাদের দলও জিততে চায়। তিনি কী চান, সেটা খুব স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন এবং আমরা তার সঙ্গে ভালোভাবে মানিয়ে নিয়েছি।’

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের একমাত্র শিরোপা এসেছিল ১৯৬৬ সালে। সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তিই এখন সাকা ও তার সতীর্থদের বড় লক্ষ্য।