শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের গোল্ড কার্ডে সাড়া কম, ৫ মাসে একজনই নাগরিকত্ব

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৩৩:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
  • ১০০ Time View

যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাস ও নাগরিকত্বের জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চালু করা ‘গোল্ড কার্ড’ কর্মসূচি নিয়ে যতটা মাতামাতি হয়েছিল, বাস্তবে সেটা মোটেও দেখা যায়নি। শুরুতে অনেকে আগ্রহ দেখিয়েছিল, ট্রাম্প প্রশাসনও বলেছিল, প্রথম সপ্তাহেই ১.৩ বিলিয়ন ডলার এসেছে। অথচ পাঁচ মাস পেরিয়ে গেছে, আবেদন এসেছে মাত্র ৩৩৮টি। এর মধ্যে নাগরিকত্ব মিলেছে মাত্র একজনের ভাগ্যে।উল্টো এখন এই কর্মসূচি আদালতের মামলা আর রাজনৈতিক টানাপোড়েনে আটকে আছে। ধনীদেরও আগ্রহ কম। এক সময় ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন, পাঁচ মিলিয়ন ডলার দিলেই মিলবে মার্কিন নাগরিকত্ব। গত ডিসেম্বর থেকে নিয়ম বাতিলও হয়ে গেছে, তারপরও আশানুরূপ কিছুই ঘটেনি।

গত ২৩ এপ্রিল কংগ্রেসের শুনানিতে বাণিজ্যমন্ত্রী লুটনিক বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে থাকতে চাইছে এ রকম ধনী মানুষের সংখ্যা আগের চেয়ে কম। এই কারণে আবেদন কম। অন্যদিকে, নিউজউইকের প্রতিবেদন বলছে, ট্রাম্প প্রশাসনের কিছু নীতির কারণে অনেকে উল্টো বিদেশে বিনিয়োগ করে অন্যান্য দেশে যাওয়ার পথ খুঁজছে। করের বোঝা বেশি—এটা অনেকেরই মধ্যে বিরক্তি তৈরি করেছে। অনেক ধনী মার্কিন নাগরিক এখন বিকল্প নাগরিকত্ব বা অন্য কোথাও থাকার চেষ্টা চালাচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

MD Ayan

জনপ্রিয়

ট্রাম্পের গোল্ড কার্ডে সাড়া কম, ৫ মাসে একজনই নাগরিকত্ব

Update Time : ০৮:৩৩:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাস ও নাগরিকত্বের জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চালু করা ‘গোল্ড কার্ড’ কর্মসূচি নিয়ে যতটা মাতামাতি হয়েছিল, বাস্তবে সেটা মোটেও দেখা যায়নি। শুরুতে অনেকে আগ্রহ দেখিয়েছিল, ট্রাম্প প্রশাসনও বলেছিল, প্রথম সপ্তাহেই ১.৩ বিলিয়ন ডলার এসেছে। অথচ পাঁচ মাস পেরিয়ে গেছে, আবেদন এসেছে মাত্র ৩৩৮টি। এর মধ্যে নাগরিকত্ব মিলেছে মাত্র একজনের ভাগ্যে।উল্টো এখন এই কর্মসূচি আদালতের মামলা আর রাজনৈতিক টানাপোড়েনে আটকে আছে। ধনীদেরও আগ্রহ কম। এক সময় ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন, পাঁচ মিলিয়ন ডলার দিলেই মিলবে মার্কিন নাগরিকত্ব। গত ডিসেম্বর থেকে নিয়ম বাতিলও হয়ে গেছে, তারপরও আশানুরূপ কিছুই ঘটেনি।

গত ২৩ এপ্রিল কংগ্রেসের শুনানিতে বাণিজ্যমন্ত্রী লুটনিক বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে থাকতে চাইছে এ রকম ধনী মানুষের সংখ্যা আগের চেয়ে কম। এই কারণে আবেদন কম। অন্যদিকে, নিউজউইকের প্রতিবেদন বলছে, ট্রাম্প প্রশাসনের কিছু নীতির কারণে অনেকে উল্টো বিদেশে বিনিয়োগ করে অন্যান্য দেশে যাওয়ার পথ খুঁজছে। করের বোঝা বেশি—এটা অনেকেরই মধ্যে বিরক্তি তৈরি করেছে। অনেক ধনী মার্কিন নাগরিক এখন বিকল্প নাগরিকত্ব বা অন্য কোথাও থাকার চেষ্টা চালাচ্ছে।