বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, মানুষের আয় বাড়েনি, অথচ খরচ তিনগুণ বেড়েছে। শিল্পকারখানা চলছে না, গ্যাস সংকট রয়েছে। দেশের গার্মেন্টসের অর্ডার অন্য দেশে চলে যাচ্ছে। একই সঙ্গে সার সংকটের কারণে দেশে অচিরেই খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় রাজধানীর মগবাজার চৌরাস্তায় ঢাকা-রংপুর লংমার্চ উপলক্ষে গণসংযোগ ও প্রচারপত্র বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের হাতিরঝিল থানা এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রি চলছে না, গ্যাস নেই। আমাদের দেশের গার্মেন্টসের অর্ডার অন্য দেশে চলে যাচ্ছে।’ বিজিএমইএ নেতাদের বরাত দিয়ে তিনি দাবি করেন, গার্মেন্টস শিল্পের ৭৮ শতাংশ অর্ডার নিম্নমুখী।
সার সংকটের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সার না পেলে কৃষক উৎপাদন করতে পারবেন না। কৃষক ধান উৎপাদন করতে না পারলে মানুষ চাল খাবে কীভাবে—প্রশ্ন রাখেন তিনি। সাতটি সার কারখানার মধ্যে ছয়টি বন্ধ রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, এর ফলে অচিরেই খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে।
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অনেক বেড়েছে। একদিকে জনগণের দুর্দশা, অন্যদিকে আয় বাড়েনি, খরচ বেড়েছে তিনগুণ। বাজার সিন্ডিকেট বন্ধ করারও দাবি জানান তিনি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, কেরানীগঞ্জে মাছ বিক্রেতার ওপর কিশোর গ্যাংয়ের হামলা এবং রংপুরে একই পরিবারের চারজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। প্রতিনিয়ত খুন-খারাপি বাড়ছে। জনগণের খাদ্য ও জানমালের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের হলেও সরকার তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, মুহাম্মদ আতাউর রহমান সরকারসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক মুহাম্মদ আতাউর রহমান সরকার এসব তথ্য জানান।
নিজস্ব প্রতিবেদক 














